ওয়েব ডেস্ক, চোপড়া : অভাবের সংসারে মেয়ের কৃতিত্ব হাসি ফোটালো পরিবারে। অভাবকে হারিয়েই বাজিমাত করল চোপড়ায় প্রথম মৌমিতা। বাড়ি চোপড়া ব্লকের ভোজপুরানিগছ এলাকায়। এবারের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় চোপড়া ব্লকে ৪৬৫ নম্বর পেয়ে প্রথম স্থান অধিকার করলো মৌমিতা রায়। চোপরা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী মৌমিতা। রায় পরিবার অভাবের সংসার। বহু প্রতিকূলতা কাটিয়ে তার সাফল্য আরো একবার প্রমাণ করল অত্যন্ত কঠিন সময়েও মনের জোর ও অদম্য সাহস থাকলে সফল হওয়া সম্ভব। আগামীতে ইংরেজি বা রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে পড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে মৌমিতা। ভবিষ্যতে অধ্যাপক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে এগোতে চায় মৌমিতা। মেয়ের সাফল্যে খুব খুশি বাবা-মা সহ আত্মীয় পরিজনেরা। মেয়ের সাফল্যের বিষয়ে বাবা নারায়ণ চন্দ্র রায় জানিয়েছেন, মৌমিতা ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার প্রতি অত্যন্ত আগ্রহী। তবে তার সামান্য আয়। আগামীতে মেয়েকে কতদূর পড়াশোনা করাতে পারবেন তা নিয়েও চিন্তায় রয়েছেন বাবা নারায়ণ চন্দ্র রায়।
মৌমিতার বাবা পেশায় একজন সাইকেল মেকানিক। মা চা বাগানে শ্রমিকের কাজ করেন। অর্থের অভাবে মেয়েকে ভালো কোন গৃহ শিক্ষকের কাছে দিতে পারেননি তিনি। অত্যন্ত টানাপোরেনের এই সংসারে মেয়ের এই সাফল্য যেন বুক জুড়িয়ে দিয়েছে তাদের। তবে মেয়ের আগামী দিনের ভবিষ্যৎ নিয়ে অত্যন্ত চিন্তায় রয়েছেন মৌমিতার বাবা নারায়ণ বাবু। মৌমিতার উচ্চশিক্ষায় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে সংসারের অভাব। সামান্য আয়ের এই সংসারে মেয়ের আগামী দিনের ভবিষ্যৎ কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে? বারবার ভাবায় নারায়ণ বাবুকে।
