ওয়েব ডেস্ক, চোপড়া : গত ২০১৮ সালে খইরুল ইসলাম হত্যা মামলায় বৃহস্পতিবার ইসলামপুর মহকুমা আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন ৩৬ জন তৃণমূল, বাম ও কংগ্রেস নেতাকর্মীরা। ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে চোপড়ায় যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, তাতেই মৃত্যু হয় খইরুল ইসলামের। আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে রয়েছেন উত্তর দিনাজপুর জেলা কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি অশোক রায় এবং সিপিআইএমের চোপড়া ২ নম্বর এরিয়া কমিটির সম্পাদক বিদ্যুৎ তরফদার। সূত্রের খবর, ওই ঘটনার পর অভিযুক্তদের একাংশ রাজনৈতিক দল পরিবর্তন করে তৃণমূলে যোগ দেন। বর্তমানে দাসপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ-প্রধান তথা তৃণমূল নেতা জিল্লুর রহমানের নামও মামলায় রয়েছে। তিনিও এদিন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।
রাজ্যে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে প্রশাসনিক তৎপরতা বাড়ার মধ্যেই এই আত্মসমর্পণকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে ঝড় উঠেছে। একাংশের দাবি, পুলিশের সম্ভাব্য ধরপাকড় এড়াতেই পরিকল্পিতভাবে দলবদ্ধ হয়ে আদালতে হাজিরা দেন অভিযুক্তরা।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর দাসপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে তৎকালীন শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস এবং বাম-কংগ্রেস জোটের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ বাধে। সেই সংঘর্ষে মৃত্যু হয় তৃণমূলকর্মী খইরুল ইসলামের। ঘটনায় পুলিশ মোট ৫৭ জনের বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের করে। অন্যদিকে, বাম ও কংগ্রেস নেতাদের অভিযোগ, প্রাথমিক এফআইআরে ২৪ জনের নাম থাকলেও পরে চার্জশিটে ৫৭ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
