ওয়েব ডেস্ক, রায়গঞ্জ : খিদে পাওয়ায় দিদিকে ডাকতে গিয়েছিল একমাত্র ভাই। বাড়িতে তখন কেউ ছিল না। কিন্তু বারবার ডেকেও দিদির কোনও সাড়া মেলেনি। শেষমেশ ঘরের বেড়া টপকে ভেতরে ঢুকতেই হাড়হিম করা দৃশ্য দেখলো ভাইটি! ঘরের আড়কাঠ থেকে ঝুলছে দিদির নিথর দেহ। উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ ব্লকের দক্ষিণ মৌজগাও এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ সূত্রের খবর, মৃত নাবালিকার নাম সুমি বর্মন, বয়স ১৫ বছর। সোমবার দুপুরে বাড়িতে সুমি ও তার ছোট ভাই ছাড়া আর কেউ ছিল না। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, দীর্ঘক্ষণ দিদির সাড়া না পেয়ে সন্দেহ হয় ভাইয়ের। এরপর সে ঘরে ঢুকে সুমিকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। কিশোরের চিৎকারে পরিবারের লোকেরা ছুটে এসে দেহটি উদ্ধার করেন। খবর দেওয়া হয় রায়গঞ্জ থানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে রায়গঞ্জ গভর্নমেন্ট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠায় ময়না তদন্তের জন্য পাঠায়। মঙ্গলবার বিকেল ৩টে নাগাদ ময়নাতদন্ত শেষে নাবালিকার দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেয় পুলিশ। রায়গঞ্জ থানার পুলিশের তরফে একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে ১৫ বছরের ওই কিশোরী আত্মহত্যার পথ বেছে নিল, তা নিয়ে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে পরিবার-সহ এলাকাজুড়ে।
আরও পড়ুন : র্যাশনের ওজনে কারচুপি! ডিলারকে ঘিরে ধুন্ধুমার
মেয়ের এহেন মৃত্যুর খবর পেয়ে নেপাল থেকে তড়িঘড়ি রায়গঞ্জে ছুটে আসেন বাবা সাধু বর্মন। তিনি নেপালে একটি প্লাইউড কারখানায় কর্মরত ছিলেন।